গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের দ্বারা জারি করা গেজেটের সীমানা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আদালত থেকে নির্দেশনা দিয়েছে আপিল বিভাগ। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সাথিয়া উপজেলাকে আলাদাভাবে পাবনা-১ আসনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে; অন্যদিকে, সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে ধরা হবে।
পাবনা-১ আসনের চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ছাড়াই এই নির্বাচন করতে হবে, যা আগে নির্বাচনী সীমানার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল। এর ফলে, নির্বাচন কমিশনের ২০২৪ সালের গেজেটের এই অংশটি অবৈধ ঘোষণা করে আদালত স্থগিত করে, এবং এই রায় কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না নতুন করে সিদ্ধান্ত হয়।
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। তারা উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের গেজেটের এই পরিবর্তন আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ নয়, তাই তা স্থগিত থাকবে।
এই মামলায় আদালতে ইসির পক্ষ থেকে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের পক্ষ থেকে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, আর বিএনপির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, হাইকোর্ট পাবনা-১ আসন থেকে চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে গেজেটটি অবৈধ ঘোষণা করে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য বৃহস্পতিবার শুনানি ধার্য করা হয়।
অক্টোবরের ১৩ তারিখে, এ সম্পর্কিত আপিলের উপর শুনানি শেষে, নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশনা দেওয়া হয় যেন ভোটের কার্যক্রম স্থগিত থাকে যতক্ষণ না নতুন নির্দেশনা আসে। এর আগে, ৫ জানুয়ারি, পাবনা-১ ও ২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ২৪ ডিসেম্বর জারি করা গেজেটও স্থগিত দেয় আপিল বিভাগ।
অতএব, এই নির্দিষ্ট সীমানাগ্রহণের ফলে, নির্বাচনের ঠিক তারিখে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এই আসনগুলোর নির্বাচন যথাসময়ে হবে যখন সব আইনি দিক পরিষ্কার হবে।
Leave a Reply